ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬,
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশাল নগরীতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট: অসাধু চক্রের শিকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা

MEHER JABIN SWEETY
  • প্রকাশের সময় : ০৩:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / 23

বরিশাল নগরীতে বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডিলার ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক, অটোরিকশা চালক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
​সংকটের চিত্র ও মূল প্রভাবসমূহ
​তীব্র সরবরাহ ঘাটতি: প্রধান সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো থেকে ডিলার বা ডিপো পর্যায়ে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পৌঁছানোয় পাইকারি ও খুচরা বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বেশিরভাগ খুচরা দোকানে এখন ১২ কেজির সিলিন্ডার মিলছে না।
​সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম: বর্তমানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের সরকারি নির্ধারিত মূল্য ২,০৬০ টাকা হলেও বরিশালের খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ থেকে ২,৬০০ টাকায়। অর্থাৎ, বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের প্রতি সিলিন্ডারে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
​ক্রস-ফিলিং সুবিধা বন্ধ: পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী এক কোম্পানির খালি সিলিন্ডার দিয়ে অন্য কোম্পানির ভরা সিলিন্ডার নেওয়ার সুযোগ থাকলেও, বর্তমান সংকটের অজুহাতে কোম্পানি ও ডিলাররা সেই সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে।
​যানবাহন ও ব্যবসা পরিচালনায় স্থবিরতা: এলপিজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অটো-রাইডাররা পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না, ফলে দৈনিক আয় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত বড় (৩৫/৪৫ কেজির) সিলিন্ডারের অতিরিক্ত দামের কারণে প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা মারাত্মক আর্থিক চাপে পড়েছেন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রিপোর্টারের তথ্য
মেহের জাবিন সুইটি

মেহের জাবিন সুইটি

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বরিশাল নগরীতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট: অসাধু চক্রের শিকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা

প্রকাশের সময় : ০৩:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

বরিশাল নগরীতে বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ডিলার ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক, অটোরিকশা চালক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
​সংকটের চিত্র ও মূল প্রভাবসমূহ
​তীব্র সরবরাহ ঘাটতি: প্রধান সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো থেকে ডিলার বা ডিপো পর্যায়ে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পৌঁছানোয় পাইকারি ও খুচরা বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বেশিরভাগ খুচরা দোকানে এখন ১২ কেজির সিলিন্ডার মিলছে না।
​সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম: বর্তমানে ১২ কেজি সিলিন্ডারের সরকারি নির্ধারিত মূল্য ২,০৬০ টাকা হলেও বরিশালের খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ থেকে ২,৬০০ টাকায়। অর্থাৎ, বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের প্রতি সিলিন্ডারে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুণতে হচ্ছে।
​ক্রস-ফিলিং সুবিধা বন্ধ: পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী এক কোম্পানির খালি সিলিন্ডার দিয়ে অন্য কোম্পানির ভরা সিলিন্ডার নেওয়ার সুযোগ থাকলেও, বর্তমান সংকটের অজুহাতে কোম্পানি ও ডিলাররা সেই সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে।
​যানবাহন ও ব্যবসা পরিচালনায় স্থবিরতা: এলপিজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অটো-রাইডাররা পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না, ফলে দৈনিক আয় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। অন্যদিকে হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত বড় (৩৫/৪৫ কেজির) সিলিন্ডারের অতিরিক্ত দামের কারণে প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা মারাত্মক আর্থিক চাপে পড়েছেন।