০২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিডিও বানানো দোষের কিছু নয়, আমি তো চুরি-ডাকাতি করছি না”: কনক চাঁপা

​মো: আব্দুল মোমিন, কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : ০১:১০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬ Time View

বাংলাদেশের সংগীত জগতের অন্যতম জননন্দিত ও প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা তাঁর পারিবারিক রান্নার একটি ভিডিওতে সাধারণ ও সাবলীল ভঙ্গিতে বলেছেন, “ভিডিও বানানো দোষের কিছু নয়, আমিতো চুরি, ডাকাতি ও দুর্নীতি করছি না।” সংগীত ও সাহিত্যের পাশাপাশি পারিবারিক ও রন্ধনশিল্প ভিত্তিক কনটেন্টের মাধ্যমেও তিনি প্রায়শই ভক্তদের সঙ্গে যুক্ত থাকেন।
​নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সুমধুর কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন তৈরি করে নিয়েছেন এই প্রখ্যাত শিল্পী। বিশেষ করে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংগীতে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।
​সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও কর্মজীবন
​জন্ম: ১৯৬৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এক সংগীতানুরাগী পরিবারে জন্ম নেন তিনি।
​সংগীত যাত্রা: পারিবারিক আবহ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংগীত শিক্ষার মধ্য দিয়ে গানের জগতে কনক চাঁপার যাত্রা শুরু। আশির দশকের শেষভাগ ও নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়কীর মাধ্যমে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
​কালজয়ী গানসমূহ: তাঁর কণ্ঠে গাওয়া বহু গান আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গান হলো—
​”তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই”
​”অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম এমন একজন”
​”নীল কাঁটাবন”
​”যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে”
​”ভালো আছি ভালো থেকো”
​পুরস্কার, সম্মাননা ও বহুমুখী প্রতিভা
​সংগীত জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কনক চাঁপা একাধিকবার মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
​কণ্ঠশিল্পী পরিচয়ের বাইরেও তিনি একাধারে একজন সফল লেখক, কলামিস্ট ও রন্ধনশিল্পী। তাঁর প্রকাশিত গদ্য ও রান্নার বই পাঠকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।
​সংবাদের শিরোনাম বা কাঠামোতে কোনো বিশেষ পরিমার্জন প্রয়োজন হলে জানাবেন!

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

৩

৯

ভিডিও বানানো দোষের কিছু নয়, আমি তো চুরি-ডাকাতি করছি না”: কনক চাঁপা

Update Time : ০১:১০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের সংগীত জগতের অন্যতম জননন্দিত ও প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা তাঁর পারিবারিক রান্নার একটি ভিডিওতে সাধারণ ও সাবলীল ভঙ্গিতে বলেছেন, “ভিডিও বানানো দোষের কিছু নয়, আমিতো চুরি, ডাকাতি ও দুর্নীতি করছি না।” সংগীত ও সাহিত্যের পাশাপাশি পারিবারিক ও রন্ধনশিল্প ভিত্তিক কনটেন্টের মাধ্যমেও তিনি প্রায়শই ভক্তদের সঙ্গে যুক্ত থাকেন।
​নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সুমধুর কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন তৈরি করে নিয়েছেন এই প্রখ্যাত শিল্পী। বিশেষ করে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংগীতে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।
​সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও কর্মজীবন
​জন্ম: ১৯৬৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকায় এক সংগীতানুরাগী পরিবারে জন্ম নেন তিনি।
​সংগীত যাত্রা: পারিবারিক আবহ ও প্রাতিষ্ঠানিক সংগীত শিক্ষার মধ্য দিয়ে গানের জগতে কনক চাঁপার যাত্রা শুরু। আশির দশকের শেষভাগ ও নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়কীর মাধ্যমে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
​কালজয়ী গানসমূহ: তাঁর কণ্ঠে গাওয়া বহু গান আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গান হলো—
​”তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই”
​”অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম এমন একজন”
​”নীল কাঁটাবন”
​”যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে”
​”ভালো আছি ভালো থেকো”
​পুরস্কার, সম্মাননা ও বহুমুখী প্রতিভা
​সংগীত জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কনক চাঁপা একাধিকবার মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
​কণ্ঠশিল্পী পরিচয়ের বাইরেও তিনি একাধারে একজন সফল লেখক, কলামিস্ট ও রন্ধনশিল্পী। তাঁর প্রকাশিত গদ্য ও রান্নার বই পাঠকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।
​সংবাদের শিরোনাম বা কাঠামোতে কোনো বিশেষ পরিমার্জন প্রয়োজন হলে জানাবেন!