রায়গঞ্জে নতুন ‘ভূঞাগাতী ইউনিয়ন’ গঠনের প্রস্তাব: মতামত গ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো গণশুনানি
- Update Time : ০১:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
- / ১০ Time View

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় নতুন ‘ভূঞাগাতী ইউনিয়ন’ পরিষদ গঠনের প্রস্তাবকে সামনে রেখে এক গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রস্তাবিত ইউনিয়নের আওতাভুক্ত এলাকার বাসিন্দাদের মতামত, দাবি ও পরামর্শ জানতে উপজেলা প্রশাসন এ গণশুনানির আয়োজন করে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার ভূঞাগাতী বাসস্ট্যান্ডে এ শুনানির আয়োজন করা হয়।
সীমানা ও ওয়ার্ড বিন্যাস
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাব অনুযায়ী সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং রায়গঞ্জ থানার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড সমন্বয়ে নতুন ‘ভূঞাগাতী ইউনিয়ন’ গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল খালেক পাটোয়ারী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের গণশুনানিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
প্রশাসনিক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি
গণশুনানিতে উপস্থিত থেকে বক্তব্য ও মতামত শোনেন:
আবদুল খালেক পাটোয়ারী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রায়গঞ্জ
মো. রওশন কবির, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
মো. আহসানুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), রায়গঞ্জ থানা
মো. লুৎফর রহমান, তদন্ত কর্মকর্তা, সলঙ্গা থানা
এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শামসুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রানা, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুসামা সরকার, চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান, ঘুড়কা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী মণ্ডল ও মো. গোলাম ছরোয়ার দুলালসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু
গণশুনানিতে নতুন ইউনিয়ন গঠনের প্রয়োজনীয়তা, প্রশাসনিক সুবিধা ও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মতো মৌলিক সেবা গ্রহণে নাগরিকদের দূরত্ব ও ভোগান্তি কমবে কি না এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আসবে কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত মতামত নেওয়া হয়।
পরবর্তী পদক্ষেপ
প্রশাসনিক সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়া মানেই চূড়ান্ত অনুমোদন নয়; প্রস্তাবটির প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও বিধিবদ্ধ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্থানীয় অধিবাসীদের প্রত্যাশা—জনস্বার্থ, প্রশাসনিক সুবিধা এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন এই ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাবটি দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।
নিউজটির উপস্থাপন বা শিরোনামে আরও কোনো পরিবর্তন কিংবা বিশেষ কোনো ফোকাস চান কি?



















