ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,
১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরপুরে চাঁদা না দেওয়ায় ফল ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত, সংবাদ সম্মেলনেও হামলা

Md Anowar Hossen
  • প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 15

রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম থানাধীন দিয়াবাড়ি সংলগ্ন শাহ আলী ফল ভান্ডার আড়তে চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোঃ আইয়ুব আলী (৪০) নামে এক ফল ব্যবসায়ীকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আইয়ুব আলীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে রুবেল চৌধুরী নামের আরও এক ব্যক্তি আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত আইয়ুব আলীর পিতার নাম মৃত ইয়াকুব আলী মুন্সী। শাহ আলী ফল ভান্ডার আড়তের একজন ব্যবসায়ী। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় আইয়ুব আলী দারুস সালাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ
এ ঘটনায় সন্ত্রাসী জহির, সুমন, লিটন, শুক্কুর আলী ও আলমগীরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার দ্বিতীয় দিন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা শাহ আলী ফল ভান্ডার আড়তে বসে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সেখানে তাঁরা নিজেদের ওপর হামলা, চাঁদা দাবি এবং ব্যবসায়িক নিরাপত্তাহীনতার বিষয়গুলো তুলে ধরছিলেন।
সংবাদ সম্মেলন চলাকালে জহির, আলমগীর ও সুমনসহ একটি দল মিছিল নিয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সেখানে হামলা চালায়। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপরও আক্রমণ করা হয়। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন এবং দুটি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া হাসি খুশি বাবুসহ তিনজন নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। হামলার ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় আড়ত ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এতে তাঁর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, জহির, আলমগীর ও সুমনসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুরো ফলের আড়তকে জিম্মি করে রেখেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদা দাবি এবং হামলার অভিযোগ উঠেছে।
ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আলমগীর অতীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ছাত্রহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সংবাদ সম্মেলন চলাকালে জহিরের নেতৃত্বাধীন একটি দল মিছিল নিয়ে সেখানে হামলা চালায়। তাঁরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলন হলো ভুক্তভোগীদের বক্তব্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সেখানে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে হামলা, সাংবাদিক আহত, সংবাদ সংগ্রহের ক্যামেরা ভাঙচুর, আড়ত ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনের দোকান লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং পেশাগত নিরাপত্তার প্রশ্নও সামনে এনেছে।
স্থানীয় আড়ত ও ফল ব্যবসায়ীদের অভিযোগ,এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ফলের আড়ত এবং বড় বড় যানবাহন থেকেও চাঁদা দাবি করা হয়। এ ধরনের ঘটনার কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁরা কোনো ধরনের হুমকি, ভয়ভীতি কিংবা চাঁদাবাজির চাপ ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান। কোনো গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে ব্যবসা করতে রাজি নন তাঁরা।
রাজনৈতিক অনুসারী নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহ আলী থানা কৃষক দলের সভাপতি জহির এবং সাধারণ সম্পাদক লিটন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সোলায়মান দেওয়ান ও এসএ সিদ্দিকী সাজুর অনুসারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অপরদিকে, দিয়াবাড়ি কাঁচাবাজার ফল পট্টির সভাপতি ও বিএনপি নেতা জামালের অনুসারী আরেকটি পক্ষ রয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে রাজনৈতিক পরিচয় বা অনুসারী হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
দারুস সালাম থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে। একই সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে হামলা, সাংবাদিক আহত, দুটি ক্যামেরা ভাঙচুর, তিন নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি এবং জামাল উদ্দিনের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, ফলের আড়তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রিপোর্টারের তথ্য
মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন

মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন

জেলা প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম

মিরপুরে চাঁদা না দেওয়ায় ফল ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত, সংবাদ সম্মেলনেও হামলা

প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম থানাধীন দিয়াবাড়ি সংলগ্ন শাহ আলী ফল ভান্ডার আড়তে চাঁদার টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোঃ আইয়ুব আলী (৪০) নামে এক ফল ব্যবসায়ীকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আইয়ুব আলীকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে রুবেল চৌধুরী নামের আরও এক ব্যক্তি আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত আইয়ুব আলীর পিতার নাম মৃত ইয়াকুব আলী মুন্সী। শাহ আলী ফল ভান্ডার আড়তের একজন ব্যবসায়ী। অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে তিনি গুরুতর আহত হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় আইয়ুব আলী দারুস সালাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ
এ ঘটনায় সন্ত্রাসী জহির, সুমন, লিটন, শুক্কুর আলী ও আলমগীরসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার দ্বিতীয় দিন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা শাহ আলী ফল ভান্ডার আড়তে বসে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সেখানে তাঁরা নিজেদের ওপর হামলা, চাঁদা দাবি এবং ব্যবসায়িক নিরাপত্তাহীনতার বিষয়গুলো তুলে ধরছিলেন।
সংবাদ সম্মেলন চলাকালে জহির, আলমগীর ও সুমনসহ একটি দল মিছিল নিয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সেখানে হামলা চালায়। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপরও আক্রমণ করা হয়। এতে কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন এবং দুটি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া হাসি খুশি বাবুসহ তিনজন নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। হামলার ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় আড়ত ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এতে তাঁর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, জহির, আলমগীর ও সুমনসহ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পুরো ফলের আড়তকে জিম্মি করে রেখেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদা দাবি এবং হামলার অভিযোগ উঠেছে।
ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আলমগীর অতীতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ছাত্রহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সংবাদ সম্মেলন চলাকালে জহিরের নেতৃত্বাধীন একটি দল মিছিল নিয়ে সেখানে হামলা চালায়। তাঁরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলন হলো ভুক্তভোগীদের বক্তব্য তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সেখানে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে হামলা, সাংবাদিক আহত, সংবাদ সংগ্রহের ক্যামেরা ভাঙচুর, আড়ত ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিনের দোকান লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং পেশাগত নিরাপত্তার প্রশ্নও সামনে এনেছে।
স্থানীয় আড়ত ও ফল ব্যবসায়ীদের অভিযোগ,এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ফলের আড়ত এবং বড় বড় যানবাহন থেকেও চাঁদা দাবি করা হয়। এ ধরনের ঘটনার কারণে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁরা কোনো ধরনের হুমকি, ভয়ভীতি কিংবা চাঁদাবাজির চাপ ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান। কোনো গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে ব্যবসা করতে রাজি নন তাঁরা।
রাজনৈতিক অনুসারী নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহ আলী থানা কৃষক দলের সভাপতি জহির এবং সাধারণ সম্পাদক লিটন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সোলায়মান দেওয়ান ও এসএ সিদ্দিকী সাজুর অনুসারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অপরদিকে, দিয়াবাড়ি কাঁচাবাজার ফল পট্টির সভাপতি ও বিএনপি নেতা জামালের অনুসারী আরেকটি পক্ষ রয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে রাজনৈতিক পরিচয় বা অনুসারী হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
দারুস সালাম থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে। একই সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে হামলা, সাংবাদিক আহত, দুটি ক্যামেরা ভাঙচুর, তিন নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি এবং জামাল উদ্দিনের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, ফলের আড়তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।