মোংলায় কোস্ট গার্ডের কাছে অস্ত্রসহ নানা ভাই বাহিনীর প্রধান সহ ১২ দস্যুর আত্মসমর্পণ।
- Update Time : ১০:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৬ Time View

শাওন আকবার শান্ত মোংলা প্রতিনিধি :
সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত নানাভাই বাহিনীর প্রধানসহ
১২ জন সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ
করেছেন। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও
গোলাবারুদ। বুধবার( ১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ১২ জন
দস্যু অস্ত্র জমা দিয়ে কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করেন। কোস্ট গার্ডের
মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম
সুজন জানান, বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনায়,
সুন্দরবনের সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং
উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে,
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে অপারেশন
রেজটরপেসন সুন্দরবন এবং অপারেশন ম্যানগ্রোভশীল
নামে দুইটি অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র
ও গোলাবারুদ সহ ২৯ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়।
এ সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা মোট ৪২ জনকে
জীবিত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা প্রদান
শেষে নিরাপদে তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা
হয়। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক ও সফল
অভিযানের ফলে সুন্দরবনের সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু বাহিনী
বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে, এবং
দস্যুরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে, ফলে
সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনী, বড়
জাহাঙ্গীর বাহিনী, ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী সহ ইতিমধ্যে
বিভিন্ন ডাকাত দলই আত্মসমর্পণ করেছেন কোস্ট গার্ডের
নিকট। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত (৮ সেপ্টেম্বর) সুন্দরবনের
ধানসিদ্ধির চড় এলাকায় নানা ভাই বাহিনীর প্রধান,
জাহাঙ্গীর মোড়ল সহ ১২ জন সক্রিয় সদস্য কোস্ট
গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় তাদের কাছে
থাকা, ১ টি এইট শুটার, ১ টি সিক্স শুটার, ১ টি ফোর
শুটার, ১ টি সাইড কেমার, ১ টি বোর্ড একশন পিস্তল, ২
টি এম 3 গ্যাস গান, ২ টি, ৭.৬৫ মিলিমিটার পিস্তল, ২ টি
ওয়ান শুটার, ২ টি এয়ার গান, ২১২ রাউন্ড তাজা
কারতুজ, ২৯ রাউন্ড ফাঁকা কারটুজ, ২০ রাউন্ড ৭.৬৫
মিলিমিটার পিস্তল বল, পাঁচ রাউন্ড ৮ মিলিমিটার তাজা
গোলা, ৪১৩ রাউন্ড এয়ার গান গোলা, ৪টি পিস্তল
ম্যাগাজিন, দুইটি এয়ার গান ম্যাগাজিন, ৪-৪ সহ ছয়টি
অকি টকি কোস্ট গার্ডের নিকট জমা দেন।
আত্মসমর্পণকারী ও আটক ডাকাত সদস্যদের মধ্যে
রয়েছে, নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়ল
ওরফে রহমত, সাইফুল্লাহ মোড়ল,, একলাছুর রহমান,
রবিউল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম, আজিম উদ্দিন গাজী
ও আব্দুর রহমান শেখ খুলনা জেলার পাইকগাছা
ডুমুরিয়া থানার বাসিন্দা।
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা শাহজাহান
মালী ও বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার বাসিন্দা
আজিজুর রহমান।
আত্মসমর্পণকারী ও আটকৃত বনদস্যুদের পরবর্তী
আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়া দিন চলছে। #




















