বিরামপুর সীমান্তে ২ দফা পুশইন চেষ্টা প্রতিহত: সতর্ক অবস্থানে বিজিবি ও গ্রামবাসী
- Update Time : ০৭:৩৭:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২১ Time View

মোঃ মেহেদী হাসান ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কাটলা-গোবিন্দপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় বিএসএফ ২০ থেকে ২৫ জনকে দু’দফা পুশ ইনের চেষ্টা করেছে। গ্রামবাসীর সহায়তায় তা প্রতিহত করেছে বিজিবি। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ পুশ ইন প্রবনতা অব্যাহত রাখার বিপরিতে গ্রামবাসীদের সহায়তা নিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিবি সীমান্তে তৎপর অবস্থান নিয়েছে। সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে পাহারা বসিয়েছে।
গতকাল রবিবার রাতের দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দাউদপুর বিওপির গোবিন্দপুর সীমান্তের ২৮৯/৪৬ এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দাউদপুর বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার মাহাবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে বিজিবি জানতে পারে , গতরাত এগারোটার দিকে ভারত অংশে দেওয়া কাঁটা তারের বেড়া পাড় করে বেশ কিছু ভারতীয় লোকজনদের পুশ ইনের চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী সদস্য বিএসএফ। বাংলাদেশে প্রবেশের সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে তাদের ধাওয়া করেন। ওই দিন রাত থেকে গোবিন্দপুর সীমান্তের গ্রামে লাঠি হাতে গ্রামবাসী-আনসার-ভিডিপি ও গ্রামপুলিশ অবস্থান নিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করছে। পোস্টের পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন আছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে বিদুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই এসময় মাঠে অবস্থান করছিলেন। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বিএসএফ ২০/২৫ কে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, দেখতে পেয়ে তারা বিজিবি ও গ্রামবাসীকে খবর দেয়। তাৎক্ষনিক বিজিবি এবং গ্রামবাসীদের উপস্থিতির কারণে বিএসএফের সদস্যরা তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন।
স্থানীয় আরেক বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান, গতরাতে প্রথম দিকে গ্রামবাসী ও বিজিবি সদস্যরা ভারতীয় লোকদের পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করলে এর বেশ কিছুক্ষণ পর পাশের একটি এলাকা দিয়ে আবারও চেষ্টা করে। সেখানে গ্রামবাসী বাধা দিলে তারা সেখান থেকেও ফিরিয়ে নেয়। তিনি বলেন, আমি যতটুকু দেখতে পেরেছি পুশইন করার চেষ্টা করা লোকজন প্রায় ২০/২৫ জন ছিলেন। তবে তাদের মধ্যে চারজন নারী এবং বাকি গুলো পুরুষ ছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে, কাটলা ইউনিয়নের দাউদপুর বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার নায়েব সুবেদার মাহাবুর রহমান বলেন, পুশ ইনের ঘটনা আমরা প্রতিহত করেছি। স্থানীয় গ্রামবাসী আমাদের সর্বোচ্চ সহায়তা করেছেন।



















