১০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নায়েবকে ‘ম্যানেজ’ করে তালায় ২৫টি মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

রিপোর্টার শাহিনুর ইসলাম
  • Update Time : ০৮:২১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫ Time View

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণকাটি দাসপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে অনুমতি ছাড়াই প্রায় ২৫টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মান্নান শেখ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ্যে এসব গাছ কাটা হচ্ছে এবং বৃহস্পতিবার সকালেও সেখানে কাটার কাজ চলতে দেখা গেছে।
​এলাকাবাসীর তথ্যমতে, কেটে ফেলা প্রতিটি গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এর আগেও গাছগুলো কাটার বেশ কয়েকটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। তবে এবার স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব)-কে ‘ম্যানেজ’ করেই এসব সরকারি মেহগনি গাছ কাটা হচ্ছে বলে তারা স্পষ্ট অভিযোগ তোলেন।
​অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মান্নান শেখ তা অস্বীকার করে বলেন, “গাছগুলো আমার নিজস্ব জমির সীমানায় অবস্থিত, তাই আমি কাটছি।”
​তবে গাছ কাটার কোনো বৈধ অনুমতি দেওয়া হয়নি জানিয়ে খেশরা ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জমিটি মেপে দেখা হয়েছে, কিন্তু গাছ কাটার কোনো অনুমতি আমরা দিইনি।”
​অনুমতি ছাড়া পুনরায় গাছ কাটার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু বলেন, “এর আগে রাস্তার পাশের গাছ হওয়ায় আমরাই কাটার কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কীভাবে আবার গাছ কাটা শুরু হলো, তা আমার জানা নেই।”
​অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দিয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা জানান, রাস্তার পাশের গাছ কাটার এ ঘটনার বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নায়েবকে ‘ম্যানেজ’ করে তালায় ২৫টি মেহগনি গাছ কাটার অভিযোগ

Update Time : ০৮:২১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণকাটি দাসপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে অনুমতি ছাড়াই প্রায় ২৫টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মান্নান শেখ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রকাশ্যে এসব গাছ কাটা হচ্ছে এবং বৃহস্পতিবার সকালেও সেখানে কাটার কাজ চলতে দেখা গেছে।
​এলাকাবাসীর তথ্যমতে, কেটে ফেলা প্রতিটি গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এর আগেও গাছগুলো কাটার বেশ কয়েকটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল। তবে এবার স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব)-কে ‘ম্যানেজ’ করেই এসব সরকারি মেহগনি গাছ কাটা হচ্ছে বলে তারা স্পষ্ট অভিযোগ তোলেন।
​অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মান্নান শেখ তা অস্বীকার করে বলেন, “গাছগুলো আমার নিজস্ব জমির সীমানায় অবস্থিত, তাই আমি কাটছি।”
​তবে গাছ কাটার কোনো বৈধ অনুমতি দেওয়া হয়নি জানিয়ে খেশরা ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জমিটি মেপে দেখা হয়েছে, কিন্তু গাছ কাটার কোনো অনুমতি আমরা দিইনি।”
​অনুমতি ছাড়া পুনরায় গাছ কাটার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু বলেন, “এর আগে রাস্তার পাশের গাছ হওয়ায় আমরাই কাটার কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কীভাবে আবার গাছ কাটা শুরু হলো, তা আমার জানা নেই।”
​অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দিয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা জানান, রাস্তার পাশের গাছ কাটার এ ঘটনার বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।