১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিঘলিয়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, ৩ মাসে হাসপাতালে ভর্তি ১৫০ রোগী

Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫ Time View

শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি:

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে। বর্ষা মৌসুমে মশার বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। একই সঙ্গে রোগীর চাপ বেড়েছে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন মাস থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৫০ জন রোগী দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরের প্রথম আট দিনেই ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসার পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা জরুরি। বিশেষ করে বাড়ি, দোকানপাট ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ার, ডাবের খোসা কিংবা অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও জানান, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সমন্বিতভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। প্রত্যেক পরিবারকে নিজ নিজ বসতবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। এতে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

দিঘলিয়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি, ৩ মাসে হাসপাতালে ভর্তি ১৫০ রোগী

Update Time : ১১:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি:

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে। বর্ষা মৌসুমে মশার বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। একই সঙ্গে রোগীর চাপ বেড়েছে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জুন মাস থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৫০ জন রোগী দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরের প্রথম আট দিনেই ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসার পাশাপাশি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা জরুরি। বিশেষ করে বাড়ি, দোকানপাট ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ার, ডাবের খোসা কিংবা অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও জানান, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সমন্বিতভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। প্রত্যেক পরিবারকে নিজ নিজ বসতবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। এতে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।