০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দূরপাল্লার স্লিপার বাস বন্ধের উদ্যোগ: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান রক্ষার আকুল আবেদন

​মোঃ খসরু নোমান স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • Update Time : ০১:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০ Time View

​দূরপাল্লার যাত্রীদের কাছে—বিশেষ করে বয়স্ক ও শারীরিক অসুস্থতায় ভোগা মানুষদের জন্য—স্লিপার বাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং স্বস্তিদায়ক এক পরিবহন মাধ্যম। তবে সম্প্রতি কতিপয় সিন্ডিকেটের প্ররোচনায় সরকার এ সেবাটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে মহাসড়কে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নিয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি অনেকটা মাথাব্যথা সারাতে মাথা কেটে ফেলার মতোই একটি সিদ্ধান্ত।
​পরিবহন মালিক ও যাত্রীদের একাংশের দাবি, এই বাসগুলোতে কোনো কারিগরি বা নিরাপত্তাজনিত ঘাটতি থাকলে তা সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে পরীক্ষা ও সংস্কারের সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু কোনো বাস্তবসম্মত তদারকি ছাড়া হুট করে এমন একটি সেবা বন্ধ করে দেওয়া মোটেও টেকসই সমাধান হতে পারে না।
​সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো—এই খাতের পেছনে রয়েছে কোটি কোটি টাকার বেসরকারি বিনিয়োগ এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করে এসব বাস হঠাৎ বন্ধ করে দিলে রাতারাতি বেকার হয়ে পড়বে বহু পরিবার, আর বিনিয়োগকারীরা মুখোমুখি হবেন চরম আর্থিক ক্ষতির। প্রশ্ন উঠেছে, যখন প্রথম এই আধুনিক স্লিপার বাসগুলো সড়কে নামানো হয়েছিল, তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের অনুমোদন ও তদারকি প্রক্রিয়া কোথায় ছিল?
​তাই সিন্ডিকেটের স্বার্থ না দেখে জনস্বার্থ, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা। গণপরিবহনে এই আধুনিক সেবাকে ধ্বংস না করে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে অবিলম্বে স্লিপার বাসকে সঠিক পন্থায় বৈধতার আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

দূরপাল্লার স্লিপার বাস বন্ধের উদ্যোগ: বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান রক্ষার আকুল আবেদন

Update Time : ০১:৩৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​দূরপাল্লার যাত্রীদের কাছে—বিশেষ করে বয়স্ক ও শারীরিক অসুস্থতায় ভোগা মানুষদের জন্য—স্লিপার বাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং স্বস্তিদায়ক এক পরিবহন মাধ্যম। তবে সম্প্রতি কতিপয় সিন্ডিকেটের প্ররোচনায় সরকার এ সেবাটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে মহাসড়কে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নিয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি অনেকটা মাথাব্যথা সারাতে মাথা কেটে ফেলার মতোই একটি সিদ্ধান্ত।
​পরিবহন মালিক ও যাত্রীদের একাংশের দাবি, এই বাসগুলোতে কোনো কারিগরি বা নিরাপত্তাজনিত ঘাটতি থাকলে তা সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে পরীক্ষা ও সংস্কারের সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু কোনো বাস্তবসম্মত তদারকি ছাড়া হুট করে এমন একটি সেবা বন্ধ করে দেওয়া মোটেও টেকসই সমাধান হতে পারে না।
​সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো—এই খাতের পেছনে রয়েছে কোটি কোটি টাকার বেসরকারি বিনিয়োগ এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না করে এসব বাস হঠাৎ বন্ধ করে দিলে রাতারাতি বেকার হয়ে পড়বে বহু পরিবার, আর বিনিয়োগকারীরা মুখোমুখি হবেন চরম আর্থিক ক্ষতির। প্রশ্ন উঠেছে, যখন প্রথম এই আধুনিক স্লিপার বাসগুলো সড়কে নামানো হয়েছিল, তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের অনুমোদন ও তদারকি প্রক্রিয়া কোথায় ছিল?
​তাই সিন্ডিকেটের স্বার্থ না দেখে জনস্বার্থ, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছেন খাত-সংশ্লিষ্টরা। গণপরিবহনে এই আধুনিক সেবাকে ধ্বংস না করে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে অবিলম্বে স্লিপার বাসকে সঠিক পন্থায় বৈধতার আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।