সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- Update Time : ১২:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৮ Time View

শাহিনুর ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় বিচার বিভাগের নানা জটিলতা নিরসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশাসন নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত এক সমন্বয় ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর পরে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইজ্জত উল্লাহ, আব্দুল খালেক, রবিউল বাশার এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বিথীকা বিনতে হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন,
গত ১৭ বছরে দেশের বহু প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, সরকার এখন সেগুলো মেরামতের কাজ করছে। বিচার বিভাগের সংস্কার ও মেরামতে কিছুটা সময় লাগবে, তাই আমরা সাংবাদিকসহ দেশের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা ও আস্থা প্রত্যাশা করি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রতিশোধের রাজনীতিতে না গিয়ে দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
এছাড়াও সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরাকে সম্পূর্ণ মাদক ও চোরাচালানমুক্ত করার কঠোর নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে তিনি বলেন, মামলা জট কমাতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সামারি ট্রায়ালের
সংক্ষিপ্ত বিচার ব্যবস্থা করা হবে এবং সাতক্ষীরায় নতুন সৃজন হওয়া ২৩টি কোর্টে অতি দ্রুত বিচারক ও প্রয়োজনীয় স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হবে। এর আগে, সকাল ৯টায় আইনমন্ত্রী সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে আরেকটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেন এবং সেখানে লিগ্যাল এইডকে জনবান্ধব করাসহ আদালতের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সংকট নিরসনের বাস্তবসম্মত আশ্বাস দেন।
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, বিজিবি ও র্যাবের স্থানীয় অধিনায়কগণ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ



















