০৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালিকচ্ছে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল: মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে ইউপি ভিত্তিক খেলার মাঠের দাবি

​মোঃ বাদশা মিয়া সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ,
  • Update Time : ০৭:২৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৩ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়া
​সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নে এক প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় স্থানীয় যুবসমাজের উপচে পড়া ভিড় ও দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি গ্রামীণ ক্রীড়াঙ্গনের নতুন এক চিত্র তুলে ধরেছে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির গুরুত্বারোপ করেন।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন (মিয়া)। তিনি টুর্নামেন্টের সার্বিক আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং গ্রামীণ খেলাধুলার প্রসারে ব্যবসায়িক ও সামাজিক পর্যায় থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কালিকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ সেলিম মিয়া বলেন, “আজকের এই মাঠের জনসমুদ্র ও যুবসমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করে আমাদের অঞ্চলে একটি স্থায়ী খেলার মাঠ কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে।” তিনি সম্প্রতি নাসিরনগর উপজেলায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক এমপি-র বক্তব্যের বরাত দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকার প্রতি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির যে পরিকল্পনা নিয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন।
​সেলিম মিয়া আরও যোগ করেন, “মাদকের মারাত্মক ছোবল থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে ক্রীড়া চর্চার কোনো বিকল্প নেই। যুবসমাজকে ফুটবলসহ নানাবিধ খেলাধুলায় নিয়োজিত রাখতে হবে।” বক্তব্য শেষে তিনি সুন্দর এই আয়োজনের জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।
​অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাচ-বাংলা ব্যাংক কালিকচ্ছ বাজার শাখার পরিচালক আফজাল হোসেন রানা এবং কালিকচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী মোছাম্মৎ মোরশেদা বেগম। অতিথিরা বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
​সমগ্র টুর্নামেন্টটি সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে আয়োজক কমিটির মোঃ আউয়াল মিয়া, মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ ইয়াকুব মিয়া এবং মোঃ ইউসুফ মিয়া নিরলস দায়িত্ব পালন করেন। খেলা দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা এমন ইতিবাচক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং তরুণদের মেধা বিকাশে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কালিকচ্ছে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল: মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে ইউপি ভিত্তিক খেলার মাঠের দাবি

Update Time : ০৭:২৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া
​সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নে এক প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় স্থানীয় যুবসমাজের উপচে পড়া ভিড় ও দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি গ্রামীণ ক্রীড়াঙ্গনের নতুন এক চিত্র তুলে ধরেছে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির গুরুত্বারোপ করেন।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন (মিয়া)। তিনি টুর্নামেন্টের সার্বিক আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং গ্রামীণ খেলাধুলার প্রসারে ব্যবসায়িক ও সামাজিক পর্যায় থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
​বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কালিকচ্ছ ইউনিয়ন বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ সেলিম মিয়া বলেন, “আজকের এই মাঠের জনসমুদ্র ও যুবসমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করে আমাদের অঞ্চলে একটি স্থায়ী খেলার মাঠ কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে।” তিনি সম্প্রতি নাসিরনগর উপজেলায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক এমপি-র বক্তব্যের বরাত দিয়ে স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকার প্রতি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির যে পরিকল্পনা নিয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়ন হওয়া প্রয়োজন।
​সেলিম মিয়া আরও যোগ করেন, “মাদকের মারাত্মক ছোবল থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে ক্রীড়া চর্চার কোনো বিকল্প নেই। যুবসমাজকে ফুটবলসহ নানাবিধ খেলাধুলায় নিয়োজিত রাখতে হবে।” বক্তব্য শেষে তিনি সুন্দর এই আয়োজনের জন্য আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।
​অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাচ-বাংলা ব্যাংক কালিকচ্ছ বাজার শাখার পরিচালক আফজাল হোসেন রানা এবং কালিকচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী মোছাম্মৎ মোরশেদা বেগম। অতিথিরা বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
​সমগ্র টুর্নামেন্টটি সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে আয়োজক কমিটির মোঃ আউয়াল মিয়া, মোঃ আক্তার হোসেন, মোঃ ইয়াকুব মিয়া এবং মোঃ ইউসুফ মিয়া নিরলস দায়িত্ব পালন করেন। খেলা দেখতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা এমন ইতিবাচক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং তরুণদের মেধা বিকাশে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানান।