০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গর্ভবতী ছাগলের মাংস বিক্রির চেষ্টা, কসাই পলাতক: লাইসেন্স বাতিল, দোকান বন্ধ

রিপোর্টার শাহিনুর ইসলাম
  • Update Time : ০৭:৩২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৭ Time View

যশোরের কেশবপুরে গর্ভবতী ছাগল জবাই করে মাংশ বিক্রির চেষ্টাকালে জনতার হাতে ধরা পড়ার পর কসাই মতিয়ার রহমান পালিয়ে গেছে। খবর পেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কসাই মতিয়ার রহমানের লাইসেন্স বাতিল করে মাংশ বিক্রির
দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন। ঘটনা জানাজানির পর ওই কসাইয়ের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।
এলাকাবাসী ও প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাবদিয়া গ্রামের
কসাই মতিয়ার রহমান মঙ্গলবার দুপুরে শহরের কসাই খানায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই
একটি গর্ভবতী ছাগল জবাই করে। ওই ছাগলটি প্রায় ৪ মাসের গর্ভবতী ছিল। জবাই
করার পর মাংশ ছাড়ানোর সময় ছাগলের পেট থেকে ২টি মরা বাচ্চা বের হয়ে আসে।
কেশবপুর পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর সুজিত বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রহমান শেখ, উপজেলা প্রাণি সম্পদ
কর্মকর্তা ডাক্তার অলোকেশ কুমার সরকার উপস্থিত হওয়ার আগেই জবাই করা ছাগল ও পেট
থেকে বের হয়ে আসা ২টি মরা বাচ্চা ফেলে রেখে কসাই মতিয়ার রহমান পালিয়ে যান।
ছাগল জবাই করার কোন অনুমতি তিনি নেননি। ওই ছাগলের বাচ্চাসহ মাংশ স্থানীয়
হরিহর নদের তীরে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, গর্ভবতী পশু
জবাই করা সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। ছাগলটি ৪ মাসের গর্ভবতী ছিল। আগামী ১৫ থেকে ২০
দিনের মধ্যে ছাগলটি বাচ্চা প্রসব করত। ঘটনাস্থলে ওই কসাইকে না পেয়ে প্রশাসনের
পক্ষ থেকে লাইসেন্স বাতিল করে তার দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রহমান শেখ বলেন, ওই কসায়ের
লাইসেন্স বাতিল করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে তার লাইসেন্স বাতিল করে
দু’এক দিনের মধ্যে কসাই মতিয়ার রহমানকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

গর্ভবতী ছাগলের মাংস বিক্রির চেষ্টা, কসাই পলাতক: লাইসেন্স বাতিল, দোকান বন্ধ

Update Time : ০৭:৩২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে গর্ভবতী ছাগল জবাই করে মাংশ বিক্রির চেষ্টাকালে জনতার হাতে ধরা পড়ার পর কসাই মতিয়ার রহমান পালিয়ে গেছে। খবর পেয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কসাই মতিয়ার রহমানের লাইসেন্স বাতিল করে মাংশ বিক্রির
দোকান বন্ধ করে দিয়েছেন। ঘটনা জানাজানির পর ওই কসাইয়ের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।
এলাকাবাসী ও প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাবদিয়া গ্রামের
কসাই মতিয়ার রহমান মঙ্গলবার দুপুরে শহরের কসাই খানায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই
একটি গর্ভবতী ছাগল জবাই করে। ওই ছাগলটি প্রায় ৪ মাসের গর্ভবতী ছিল। জবাই
করার পর মাংশ ছাড়ানোর সময় ছাগলের পেট থেকে ২টি মরা বাচ্চা বের হয়ে আসে।
কেশবপুর পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর সুজিত বিশ্বাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রহমান শেখ, উপজেলা প্রাণি সম্পদ
কর্মকর্তা ডাক্তার অলোকেশ কুমার সরকার উপস্থিত হওয়ার আগেই জবাই করা ছাগল ও পেট
থেকে বের হয়ে আসা ২টি মরা বাচ্চা ফেলে রেখে কসাই মতিয়ার রহমান পালিয়ে যান।
ছাগল জবাই করার কোন অনুমতি তিনি নেননি। ওই ছাগলের বাচ্চাসহ মাংশ স্থানীয়
হরিহর নদের তীরে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, গর্ভবতী পশু
জবাই করা সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। ছাগলটি ৪ মাসের গর্ভবতী ছিল। আগামী ১৫ থেকে ২০
দিনের মধ্যে ছাগলটি বাচ্চা প্রসব করত। ঘটনাস্থলে ওই কসাইকে না পেয়ে প্রশাসনের
পক্ষ থেকে লাইসেন্স বাতিল করে তার দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রহমান শেখ বলেন, ওই কসায়ের
লাইসেন্স বাতিল করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে তার লাইসেন্স বাতিল করে
দু’এক দিনের মধ্যে কসাই মতিয়ার রহমানকে জানিয়ে দেওয়া হবে।