০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​চাটমোহরে হান্ডিয়াল ইউনিয়নের অনুমোদিত সার ডিলারের তালিকা প্রকাশ

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৪ Time View

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নে কৃষকদের কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং ন্যায্যমূল্যে রাসায়নিক সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে অনুমোদিত সার ডিলারের তালিকা/নাম প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অসাধু ব্যবসায়ীদের কালোবাজারি রোদ, সারের কৃত্রিম সংকট নিরসন এবং প্রান্তিক কৃষকদের সঠিক সময়ে নির্ধারিত সরকারি মূল্যে সার প্রাপ্তি সুগম করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
​কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে বিশেষ উদ্যোগ
​হান্ডিয়াল ইউনিয়ন একটি কৃষিপ্রধান এলাকা। প্রতি বছর বোরো, আমন ও রোপণ মৌসুমে সার নিয়ে বিভিন্ন অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করার অপচেষ্টা করে থাকে। অনেক সময় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে কৃষকদের সার কিনতে বাধ্য করা হতো। এসব জালিয়াতি ও অসদুপায় বন্ধে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবার ইউনিয়নের অনুমোদিত বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।
​প্রকাশিত তালিকায় যেসব বিষয় নিশ্চিত করা হয়েছে:
​নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদর্শনী: সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত এক টাকাও যেন কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া না হয়, সেজন্য ডিলার পয়েন্টগুলোতে মূল্য তালিকা টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
​সহজ প্রাপ্তি: ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড ও ব্লকের কৃষকেরা যাতে নির্দিষ্ট ডিলার সেন্টার থেকে সার সংগ্রহ করতে পারেন, তা মনিটরিং করা হবে।
​কালোবাজারি রোধ: অনুমোদনহীন কোনো খুচরা বিক্রেতা বা মধ্যস্বত্বভোগী যেন সারের অবৈধ মজুদ করতে না পারে, সেজন্য কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য
​এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তা জানান, “হান্ডিয়াল ইউনিয়নে কোনো প্রকার সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে দেওয়া হবে না। প্রকাশিত সার ডিলাররা নির্ধারিত মূল্যে এবং সঠিক পরিমাণে সার কৃষকদের কাছে পৌঁছাতে বাধ্য থাকবেন। যদি কোনো ডিলার অতিরিক্ত মূল্য দাবি করেন বা সারে ভেজাল মেশান, তবে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
​স্থানীয় কৃষকরা সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার থাকলে চলতি মৌসুমে তারা বিন্দুমাত্র ভোগান্তি ছাড়াই তাদের প্রয়োজনীয় সার পেয়ে যাবেন।
​

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

৯

​চাটমোহরে হান্ডিয়াল ইউনিয়নের অনুমোদিত সার ডিলারের তালিকা প্রকাশ

Update Time : ০১:৩৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নে কৃষকদের কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে এবং ন্যায্যমূল্যে রাসায়নিক সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে অনুমোদিত সার ডিলারের তালিকা/নাম প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। অসাধু ব্যবসায়ীদের কালোবাজারি রোদ, সারের কৃত্রিম সংকট নিরসন এবং প্রান্তিক কৃষকদের সঠিক সময়ে নির্ধারিত সরকারি মূল্যে সার প্রাপ্তি সুগম করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
​কৃষকদের দুর্ভোগ কমাতে বিশেষ উদ্যোগ
​হান্ডিয়াল ইউনিয়ন একটি কৃষিপ্রধান এলাকা। প্রতি বছর বোরো, আমন ও রোপণ মৌসুমে সার নিয়ে বিভিন্ন অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করার অপচেষ্টা করে থাকে। অনেক সময় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে কৃষকদের সার কিনতে বাধ্য করা হতো। এসব জালিয়াতি ও অসদুপায় বন্ধে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবার ইউনিয়নের অনুমোদিত বিসিআইসি ও বিএডিসি সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশ্যে আনা হয়েছে।
​প্রকাশিত তালিকায় যেসব বিষয় নিশ্চিত করা হয়েছে:
​নির্ধারিত মূল্য তালিকা প্রদর্শনী: সরকার নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত এক টাকাও যেন কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া না হয়, সেজন্য ডিলার পয়েন্টগুলোতে মূল্য তালিকা টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
​সহজ প্রাপ্তি: ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড ও ব্লকের কৃষকেরা যাতে নির্দিষ্ট ডিলার সেন্টার থেকে সার সংগ্রহ করতে পারেন, তা মনিটরিং করা হবে।
​কালোবাজারি রোধ: অনুমোদনহীন কোনো খুচরা বিক্রেতা বা মধ্যস্বত্বভোগী যেন সারের অবৈধ মজুদ করতে না পারে, সেজন্য কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
​উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের বক্তব্য
​এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তা জানান, “হান্ডিয়াল ইউনিয়নে কোনো প্রকার সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে দেওয়া হবে না। প্রকাশিত সার ডিলাররা নির্ধারিত মূল্যে এবং সঠিক পরিমাণে সার কৃষকদের কাছে পৌঁছাতে বাধ্য থাকবেন। যদি কোনো ডিলার অতিরিক্ত মূল্য দাবি করেন বা সারে ভেজাল মেশান, তবে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
​স্থানীয় কৃষকরা সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার থাকলে চলতি মৌসুমে তারা বিন্দুমাত্র ভোগান্তি ছাড়াই তাদের প্রয়োজনীয় সার পেয়ে যাবেন।
​