০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার, প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৩ Time View

মোঃ মেহেদী হাসান ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ১৩ টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা ব্যবসায়ীদের। দেশের পাটের প্রচুর চাহিদা থাকলেও আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে এবং পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহ এবং দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকেরা এ এলাকায় ঝুঁকে পড়ছে পাট চাষে। খানসামা উপজেলার পাকের হাট ও বিরামপুর উপজেলায় শুরু হয় পাটের বেচাকেনা। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসা এ হাটে কৃষকদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা। ভোর হওয়ার সাথে সাথে গ্রাম গঞ্জ থেকে কৃষকেরা পাট বিক্রি করতে আসে এই হাটগুলিতে । বিরামপুর ও খানসামা ছাড়াও দিনাজপুরের অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন হাটে পাট বিক্রির ধুম পড়ে যায়। ধানের পরে পাটের মূল্য । ডিজিটাল পাল্লায় ওজন ও পাটের মান যাচাই ও দরদামে জমে ওঠে পাটের হাট। চলতি মৌসুমে খানসামা সহ ১৩ টি উপজেলায় পাট চাষের লক্ষ্য মাত্রা ছিল প্রায় ১০ হাজার ৬ শত ৭৫ হেক্টর জমিতে। খানসামা উপজেলায় এবার ১ হাজার ৬ শত ৭৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ লক্ষ্য মাত্রা ছিল কিন্তু ১ হাজার ৬ শত ৯০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এ মৌসুমে পাট উৎপাদন হয়েছে ১৯ হাজার ২ শত ৩৭ বেল। এছাড়া অন্যান্য উপজেলায় কমবেশি পাট চাষ করা হয়েছে। এই পাট থেকে খানসামা উপজেলাতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বানিজ্যের সম্ভবনা রয়েছে ব্যবসায়ীদের। উন্নত মানের উজ্জ্বল ও শক্ত আঁশের পাটে মিলছে বেশি দাম। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়েও লাভের আশা করছেন কৃষকেরা । বীরগঞ্জ উপজেলার শীতলাই গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান জানান, চলতি বছর পাটের দাম ভালো পেয়েছি, পাট চাষ করে ভালো দাম পাওয়ায় আগামীতে পাট চাষে এ এলাকার কৃষকেরা ঝুঁকে পড়বে। খানসামা উপজেলার হাটে পাটের মান ভালো এ কারণে এখানে ব্যবসায়ীরা পাট কিনতে আসে। পাট ব্যবসায়ী মোঃ আজিজুল ইসলাম জানান, পাটের গুণগত মান ভালো হলে বাজারে পাটের প্রচুর দামও রয়েছে। তবে দেশে পাটের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দেশের পাটের উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদা বেশি হচ্ছে ও প্রচুর দামও দিতে হচ্ছে। পাট না পাওয়ার কারণে অনেক জুট মিল বন্ধ হয়ে গেছে।
খানসামা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ ইয়াসমিন আক্তার জানান, পাট এলাকার কৃষক ও গ্রামীন অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফসল

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার, প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা

Update Time : ০৬:২২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ মেহেদী হাসান ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরের ১৩ টি উপজেলায় পাটের জমজমাট বাজার প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা ব্যবসায়ীদের। দেশের পাটের প্রচুর চাহিদা থাকলেও আঞ্চলিকতার ভিত্তিতে এবং পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহ এবং দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকেরা এ এলাকায় ঝুঁকে পড়ছে পাট চাষে। খানসামা উপজেলার পাকের হাট ও বিরামপুর উপজেলায় শুরু হয় পাটের বেচাকেনা। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসা এ হাটে কৃষকদের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকেরা। ভোর হওয়ার সাথে সাথে গ্রাম গঞ্জ থেকে কৃষকেরা পাট বিক্রি করতে আসে এই হাটগুলিতে । বিরামপুর ও খানসামা ছাড়াও দিনাজপুরের অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন হাটে পাট বিক্রির ধুম পড়ে যায়। ধানের পরে পাটের মূল্য । ডিজিটাল পাল্লায় ওজন ও পাটের মান যাচাই ও দরদামে জমে ওঠে পাটের হাট। চলতি মৌসুমে খানসামা সহ ১৩ টি উপজেলায় পাট চাষের লক্ষ্য মাত্রা ছিল প্রায় ১০ হাজার ৬ শত ৭৫ হেক্টর জমিতে। খানসামা উপজেলায় এবার ১ হাজার ৬ শত ৭৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ লক্ষ্য মাত্রা ছিল কিন্তু ১ হাজার ৬ শত ৯০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এ মৌসুমে পাট উৎপাদন হয়েছে ১৯ হাজার ২ শত ৩৭ বেল। এছাড়া অন্যান্য উপজেলায় কমবেশি পাট চাষ করা হয়েছে। এই পাট থেকে খানসামা উপজেলাতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বানিজ্যের সম্ভবনা রয়েছে ব্যবসায়ীদের। উন্নত মানের উজ্জ্বল ও শক্ত আঁশের পাটে মিলছে বেশি দাম। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়েও লাভের আশা করছেন কৃষকেরা । বীরগঞ্জ উপজেলার শীতলাই গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান জানান, চলতি বছর পাটের দাম ভালো পেয়েছি, পাট চাষ করে ভালো দাম পাওয়ায় আগামীতে পাট চাষে এ এলাকার কৃষকেরা ঝুঁকে পড়বে। খানসামা উপজেলার হাটে পাটের মান ভালো এ কারণে এখানে ব্যবসায়ীরা পাট কিনতে আসে। পাট ব্যবসায়ী মোঃ আজিজুল ইসলাম জানান, পাটের গুণগত মান ভালো হলে বাজারে পাটের প্রচুর দামও রয়েছে। তবে দেশে পাটের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দেশের পাটের উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদা বেশি হচ্ছে ও প্রচুর দামও দিতে হচ্ছে। পাট না পাওয়ার কারণে অনেক জুট মিল বন্ধ হয়ে গেছে।
খানসামা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ ইয়াসমিন আক্তার জানান, পাট এলাকার কৃষক ও গ্রামীন অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফসল