১০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগুনে বন্ধ টঙ্গী-ঘোড়াশাল সড়ক, ১০ কিলোমিটার যানজটে ভোগান্তি

মোঃ খাইরুল বাশার ,গাজীপুর:
  • Update Time : ০৮:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৪ Time View

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে প্লাস্টিকের ভাঙারি গোডাউন ও ববিন তৈরির কারখানায় আগুনের ঘটনায় টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহানগরীর ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মাজুখান এলাকায় সড়কের পাশে থাকা ওই গোডাউন ও কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে কারখানা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে মুহূর্তেই সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পূবাইল থানা পুলিশ কাজ শুরু করে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহিন আলম বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন বর্তমানে মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নির্বাপণের কাজ শেষ পর্যায়ে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা সিগারেটের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাস্থলে মালিকপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে যান চলাচলও স্বাভাবিক হবে।

এদিকে আগুনের কারণে সড়ক বন্ধ থাকায় টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী, পরিবহন চালক ও স্থানীয়দের দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকতে দেখা গেছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

৫

আগুনে বন্ধ টঙ্গী-ঘোড়াশাল সড়ক, ১০ কিলোমিটার যানজটে ভোগান্তি

Update Time : ০৮:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে প্লাস্টিকের ভাঙারি গোডাউন ও ববিন তৈরির কারখানায় আগুনের ঘটনায় টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহানগরীর ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মাজুখান এলাকায় সড়কের পাশে থাকা ওই গোডাউন ও কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে কারখানা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে মুহূর্তেই সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পূবাইল থানা পুলিশ কাজ শুরু করে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহিন আলম বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন বর্তমানে মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নির্বাপণের কাজ শেষ পর্যায়ে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা সিগারেটের আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাস্থলে মালিকপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আতিকুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে যান চলাচলও স্বাভাবিক হবে।

এদিকে আগুনের কারণে সড়ক বন্ধ থাকায় টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রী, পরিবহন চালক ও স্থানীয়দের দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকতে দেখা গেছে।