বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অবহেলায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন মুখ থুবড়ে পড়েছে
- প্রকাশের সময় : ০৭:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
- / 28

দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ৩ মাসেও চালু হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই, ৩ মাসেও উৎপাদনে না যাওয়ার সম্ভাবনা। ২টি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ। ২ টি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার এই কেন্দ্রে ১২৫ মেগা ওয়াট ক্ষমতা ১ম ইউনিটটি গত ৫ ই অক্টোবর সোমবার সকালে এবং ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পূর্ণ ৩য় ইউনিটটি গত ৬ ই অক্টোবর মঙ্গলবার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রেড ফেল হওয়ায় ৩ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। টারবাইনের শ্যাফটের বিয়ারিং অকেজো হয়ে যায়। উল্লেখ্য যে, সেলু বয়েল পাম্প চালু না করায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। যার কারণে ৩ নম্বর ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। অপরদিকে ১ নম্বর ইউনিটের বৈদ্যুতিক ইলেকট্রিক তারে শর্ট সার্কিট হওয়ার কারণে ৩ টি ট্রের তার পুড়ে যায়। সেই ট্রের মধ্যে ৫০০ থেকে ১০০০ ক্যাবল তার থাকে। বর্তমান ১ নম্বর ইউনিটটি সচল করতে হিমশিম থেতে হবে কর্তৃপক্ষকে। এখন ১ নম্বর ইউনিটের বিদ্যুৎ সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ৩ নম্বর ইউনিটের শ্যাফট বাঁকা হয়ে গেলে ইউনিটটি চালু করতে গেলে ব্যয় বহুল বেড়ে যাবে। ২ টি ইউনিট মেরামত করতে প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।
১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পূর্ণ ২য় ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকেই বন্ধ হয়েছে। প্রায় ৭ বছর ধরে ২য় ইউনিটটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ফলে এই ইউনিটটি মেরামত করতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। এরপর ১ নম্বর ইউনিটটি জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছিল ।
সেটিও গত ৫ অক্টোবর সোমবার আগুন লাগিয়ে ট্রেতে বিছানো তার পুড়িয়ে যায়। বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন ২ টি ইউনিটের যান্ত্রিক ত্রুটি সংস্কার করতে চীনা হারবিন কোম্পানির প্রকৌশলীরা মেরামত করতে কাজ করছে। এখনও ইউনিট দুটির মেরামত কাজ শুরু করা হয়নি। চিনা হারবিন কোম্পানির সাথে চুক্তি থাকলেও তারা ইউনিট ২ টির কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা না দেখা পর্যন্ত ব্যয়ের হিসাব নিকাশ করতে পারছে না।



















