১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে আত্মনির্ভরশীলতার দিশা: প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

রিপোর্টার রনি আহমেদ
  • Update Time : ০৯:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৯ Time View

​মেহেরপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বিশেষ উদ্যোগে কোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীদের জন্য মুরগি ও গবাদিপশু পালন বিষয়ক একটি উদ্বুদ্ধকরণ ও পরামর্শমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
​সভায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিবারগুলোকে আর্থিক স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়:
​আধুনিক লালন-পালন ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণ: সঠিক নিয়মে হাস-মুরগি ও গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে।
​রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা: খামারে বা বাড়িতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং গবাদিপশুর সুরক্ষায় রোগ দেখা দিলেই দ্রুত ভেটেরিনারি হাসপাতালে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।
​কারিগরি সহায়তা ও প্রশ্নোত্তর: প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা উপকারভোগীদের বিভিন্ন প্রশ্নের বাস্তবমুখী সমাধান দেন এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার আধুনিক কৌশল শিখিয়ে দেন।
​প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারের সার্বিক সহায়তা ও সঠিক পরিকল্পনাকাজে লাগিয়ে উপকারভোগীরা খুব শীঘ্রই আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরণের সচেতনতামূলক ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
​প্রতিবেদন: রনি আহমেদ | ভিডিও চিত্র: দৈনিক জনতার খবর

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

কোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে আত্মনির্ভরশীলতার দিশা: প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৯:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​মেহেরপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বিশেষ উদ্যোগে কোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীদের জন্য মুরগি ও গবাদিপশু পালন বিষয়ক একটি উদ্বুদ্ধকরণ ও পরামর্শমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
​সভায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিবারগুলোকে আর্থিক স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়:
​আধুনিক লালন-পালন ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণ: সঠিক নিয়মে হাস-মুরগি ও গবাদিপশু পালনের মাধ্যমে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ রয়েছে।
​রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা: খামারে বা বাড়িতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং গবাদিপশুর সুরক্ষায় রোগ দেখা দিলেই দ্রুত ভেটেরিনারি হাসপাতালে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।
​কারিগরি সহায়তা ও প্রশ্নোত্তর: প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা উপকারভোগীদের বিভিন্ন প্রশ্নের বাস্তবমুখী সমাধান দেন এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যার আধুনিক কৌশল শিখিয়ে দেন।
​প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকারের সার্বিক সহায়তা ও সঠিক পরিকল্পনাকাজে লাগিয়ে উপকারভোগীরা খুব শীঘ্রই আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরণের সচেতনতামূলক ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
​প্রতিবেদন: রনি আহমেদ | ভিডিও চিত্র: দৈনিক জনতার খবর