মেধার স্বীকৃতি পেল খাজুরার ১৫ ক্ষুদে শিক্ষার্থী
- Update Time : ১০:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫ Time View

শাহিনুর ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
মেধা ও প্রতিভার বিকাশে উৎসাহ জোগাতে যশোরের খাজুরা অঞ্চলে প্রাথমিকের বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। তাবাসসুম ফাউন্ডেশন-কানাডার উদ্যোগে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় মির্জাপুর আদর্শ মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
খাজুরা অঞ্চলের (যশোর সদর ও বাঘারপাড়া উপজেলার) যাদবপুর, খালিয়া, টিপিএম, চন্ডিপুর ও এনায়েতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৫ শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে কৃতি সংবর্ধনা লাভ করে। এ সময় তাবাসসুম ফাউন্ডেশন-কানাডার পক্ষ থেকে তাদের হাতে সম্মাননা সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। তাবাসসুম ফাউন্ডেশন-কানাডার হেড অব দ্য প্রজেক্ট (মেরিটকেয়ার) আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন খাজুরা অঞ্চলের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মোস্তাকিম বিন জামান। স্বাগত বক্তব্যে মোস্তাকিম বিন জামান বলেন, গ্রামীণ শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যেই খাজুরা অঞ্চলের পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আওতায় ভবিষ্যতে কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে। একই সঙ্গে উপকারভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যাও পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জাপুর আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আব্দুল হামীদ লস্কার, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা, প্রভাষক মাহমুদুল আক্তার, চন্ডিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আইয়ুব হোসেন, সেকেন্দারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওহিদুর রহমান, আল কেমিস্ট কোচিং সেন্টারের পরিচালক নয়ন হোসেন ও আকাশ হোসেন। বক্তারা বলেন, একটি শিশুর মেধা বিকাশের জন্য প্রয়োজন উৎসাহ, সহযোগিতা ও উপযুক্ত পরিবেশ। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের মেধা ও প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। বক্তারা তাবাসসুম ফাউন্ডেশন-কানাডার এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং অন্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রাণিত করবে।
অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


























